পিএইচ: পিএইচ এর পূর্ণরূপ- পাওয়ার অফ হাইড্রোজেন।হাইড্রোজেন আয়নের ঋণাত্মক লগারিদমকে পিএইচ বলে।ফেব্রিকের পিএইচ মেজারমেন্ট করে দেখা হয় যে, এটা এসিটিক না এল্কালি মিডিয়ায় আছে।
 
  ইকুইপমেন্ট: 
 ১. পটাসিয়াম ক্লোরাইড কেমিকেল 
 ২. ডিস্টিল ওয়াটার(গ্রেড থ্রি,পিএইচ ৫.৫-৭.৫) 
 ৩. ভলিউম মেট্রিক ফ্লাস্ক (১০০০মি.লি.) 
 ৪. বিকার (১৫০ মি.লি.)
 ৫. ফ্যানেল ৬. স্যাকার মেশিন (টু এন্ড ফ্লো- ৬০ আরপিএম, রোটেসোনাল- ৩০ আরপিএম) 
 ৭. পিএইচ মিটার 
 ৮. ব্যালেন্স
                                                 চিত্র:পিএইচ মিটার (গুগল) 

  সল্যুশন প্রিপারেশন: 
পটাসিয়াম ক্লোরাইড (KCl) এর আনবিক ভর ৭৪.৫৫ গ্রাম।প্রথমত, ৩ মোলার স্যুলশন তৈরি করতে হবে।৭৪.৫৫*৩=২২৩.৬৫ গ্রাম পটাসিয়াম ক্লোরাইড ১ লিটার ডিস্টিল ওয়াটার এ দিলে ৩ মোলার স্যুলশন তৈরি হবে। এখন, ৩ মোলার স্যুলশনে থেকে ৩৩মিলি + ৯৬৭ মিলি ডিস্টিল যোগ করলে ১ লিটার ০.১ মোলার স্যুলশন তৈরি হবে।

 টেস্ট স্পেসিমেন: 
ফেব্রিকের প্রত্যেক কালারের জন্য আলাদা আলাদা টেস্ট করতে হবে। ফেব্রিকের উপর প্রিন্ট থাকলে, প্রিন্ট এবং ফেব্রিক একই সাথে টেস্ট করলেই হবে। প্রত্যেক স্পেসিমেনের ওজন ২ গ্রাম(প্লাস মাইনাস ০.০৫ গ্রাম)

  প্রসিডিউর: 
১. একটি ফেব্রিকের ২ গ্রাম ওজনের ৩টি স্পেসিমেন নিতে হবে। 
২. স্পেসিমেন গুলো সর্বোচ্চ ৫*৫ মিমি আকারে কাটতে হবে। 
৩. স্পেসিমেনগুলো ৩টি আলাদা আলাদা বিকারে নিয়ে ০.১ মোলার পটাসিয়াম ক্লোরাইড স্যুলশন এর ১০০ মিলি করে দিতে হবে। 
৪. দুই ঘন্টা স্যাকার মেশিনে রাখতে হবে। (টু এন্ড ফ্লো- ৬০ আরপিএম, রোটেসোনাল- ৩০ আরপিএম)। ৫. দুই ঘন্টা পর ছাকনি দিয়ে ছেঁকে স্যুলশন আলাদা করতে হবে। 
৬. পিএইচ মিটার ক্যালিব্রেশন করে নিতে হবে।(বাফার ৪,৭,১০।বাফারের টলারেন্স ০.০৫।স্লোপ % < ৯৩ থাকতে হবে।) 
৭. পিএইচ মিটার রিন্স করে প্রথম স্পেসিমেনের স্যুলশনের পিএইচ মেজানমেন্ট করতে হবে।তারপর রিন্স না করে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্পেসিমেনের স্যুলশনের পিএইচ মেজারমেন্ট করতে হবে। 

  রেজাল্ট: প্রথম স্পেসিমেনের স্যুলশনের মান বাদ দিয়ে, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় টির মান গড় করে যে মান পাওয়া যাবে সেটি রেজাল্ট। পিএইচ=(দ্বিতীয় টির মান + তৃতীয় টির মান) / ২

 #রিক্যাপ কর্ত্তৃক প্রস্তুতকৃত।